calendar_today সোমবার, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ • ২ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো ◆ গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ; পুলিশ বক্সে আগুন ◆ ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অবস্থানের সমালোচনায় এনসিপি
home হোম / সারা বাংলা / বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত: বকেয়ার পাহাড় ও ভুল নীতিতেই কি বর্তমান সংকট?
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত: বকেয়ার পাহাড় ও ভুল নীতিতেই কি বর্তমান সংকট?

​বিশেষ প্রতিনিধি: ​বিদ্যুৎ সংকট বর্তমান সরকারকে চরম বিড়ম্বনায় ফেলেছে। এর পেছনে যে কারণটি রয়েছে তা সাধারণের ধারণার বাইরে। অভিজ্ঞরা মনে করছেন আন্তবর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস ও তার জ্বালানি উপদেষ্টা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ • দুপুর ০১:১৩
history আপডেট: ১ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫৪ বার পঠিত
​বকেয়া ঋণের বিশাল বোঝা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরের মেয়াদে বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ না করে বাকিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্রয়ের নীতি অনুসরণ করা হয়। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিদ্যুৎ খাতে দেশি ও বিদেশি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া পাওনা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে কেবল বেসরকারি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোরই পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের পর থেকে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় নতুন সরকার চরম আর্থিক চাপে পড়েছে। কয়লা ও গ্যাসের বকেয়া না মেটানোর কারণে বর্তমানে একাধিক প্রধান কেন্দ্র বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
​বিতর্কিত এলএনজি চুক্তি ও রামপাল প্রকল্প
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে অংশগ্রহণকালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আর্জেন্ট এলএনজি’র সঙ্গে নন-বাইন্ডিং চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলাকে অন্ধকারে রেখে এবং উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া সম্পাদিত এই চুক্তিকে বিশেষজ্ঞরা জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, পরিবেশবিদদের দীর্ঘদিনের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল বা পুনর্বিবেচনার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ড. ইউনূসের সরকার।
​বিদ্যুৎ খাত এখন ‘আইসিইউতে’
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে মন্তব্য করেন, "পূর্বের সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাত নড়বড়ে অবস্থায় থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও অব্যবস্থাপনা এটিকে মূলত আইসিইউতে পাঠিয়ে দিয়েছে।" তিনি জানান, সংকট উত্তরণে অন্তর্বর্তী সরকারের বাতিল করা ৩১টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) পুনর্বহালের উদ্যোগ নিচ্ছে বর্তমান সরকার, যাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো সম্ভব হয়।
​বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সুনির্দিষ্ট ও টেকসই পরিকল্পনা ছাড়া হুটহাট সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বকেয়া বিল জমিয়ে রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের ফলেই আজকের এই চরম বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট। এটি বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে জনরোষের মুখোমুখি করার জন্য কোনো পরিকল্পিত পদক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।