calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / জাতীয় / নিজ ভূখণ্ডে অস্ত্রের প্রয়োগ: পাকিস্তানের নীতি ও শিক্ষা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

নিজ ভূখণ্ডে অস্ত্রের প্রয়োগ: পাকিস্তানের নীতি ও শিক্ষা

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, তাঁদের প্রদেশের জন্য বহিরাগত শত্রুর চেয়ে 'প্রতিবেশী প্রদেশ' থেকে আসা নিরাপত্তা হুমকি অনেক বেশি। এই বক্তব্য তৈরি করেছে চরম বিতর্ক।...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ • বিকাল ০৩:২৬
history আপডেট: ১ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১১২ বার পঠিত
তবে মূল প্রশ্নটি সীমান্ত অতিক্রমের চেয়েও অনেক গভীর। প্রশ্ন হলো—পাকিস্তানে এসব চরমপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্ম ও বিকাশ ঘটল কীভাবে?

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পাকিস্তানের এই নিরাপত্তা সংকটের শিকড় তাদের নিজেদের রাষ্ট্রীয় নীতির ভেতরেই প্রোথিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিজেদের কৌশলগত সুবিধার্থে ব্যবহার করেছে। আবার কিছু গোষ্ঠীকে দমন করার নীতি গ্রহণ করেছে। লস্কর-ই-তাইয়েবা বা জইশ-ই-মোহাম্মদের মতো সংগঠনগুলো হঠাৎ কোনো প্রদেশের সীমানা থেকে গজে ওঠেনি। রাষ্ট্রীয় নীতি ও প্রশ্রয়ের সুযোগ নিয়েই এরা নিজেদের শক্তিশালী করেছে। ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে সশস্ত্র চরমপন্থীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এই দ্বিচারিতা আজ পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয় যে, কেবল সামরিক শক্তি ও বৈষম্যমূলক নীতি দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে সংকট মেটানো যায় না। ১৯৭১ সালে বাঙালিদের ওপর যে বৈষম্য ও সামরিক বলপ্রয়োগ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত দেশের বিভাজন ডেকে এনেছিল। ইতিহাস প্রমাণ করে—রাজনৈতিক অধিকার, আস্থা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা না করে কোনো রাষ্ট্রকে কেবল অস্ত্রের মুখে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব নয়।

তাই পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ সমস্যার জন্য প্রতিবেশী প্রদেশ বা স্থানীয় জনগণকে দায়ী করার সুযোগ নেই। এই সংকট দূর করতে হলে পাকিস্তানকে অতীত নীতি ও ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের আত্মসমালোচনা করতেই হবে।