calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / জাতীয় / কুরবানি কার পক্ষ থেকে পরিবার না ব্যক্তি , ইসলাম যা বলে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

কুরবানি কার পক্ষ থেকে পরিবার না ব্যক্তি , ইসলাম যা বলে

কুরবানির সময় এলেই অনেকেই নিজের নামের পাশাপাশি বাবা-মা, নাবালক সন্তান বা মৃত আত্মীয়স্বজনের নামেও কুরবানি দিয়ে থাকেন। তবে ইসলামি শরিয়তে কুরবানির বিধান, অংশীদারিত্ব এবং কার নামে কুরবানি করা যাবে—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশনা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ • বিকাল ০৫:১০
history আপডেট: ৫ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৫০ বার পঠিত

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, ছাগল, ভেড়া বা দুম্বার মতো পশু একজন ব্যক্তির পক্ষ থেকেই কুরবানি করতে হয়। এসব পশুতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হতে পারেন না। তবে গরু, মহিষ ও উটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাতজন পর্যন্ত শরিক হয়ে কুরবানি দেওয়া যায়। প্রত্যেকের নিয়ত আলাদা হলেও একটি পশুর মাধ্যমেই সবার কুরবানি আদায় হয়।

ইসলামি বিশ্লেষকদের মতে, সাতজন অংশীদার মানে সাতটি নির্দিষ্ট নামের পক্ষ থেকে কুরবানি; সাতটি পরিবারের পক্ষ থেকে নয়। তবে অংশ সাতজনের কম হতে পারে, কিন্তু বেশি হওয়া যাবে না। কুরবানির সময় মূল বিষয় হলো আল্লাহর নামে পশু জবাই করা এবং প্রত্যেক অংশীদারের নিয়ত স্পষ্ট থাকা।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর কুরবানি ওয়াজিব। সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ থাকলে কুরবানি আদায় করতে হয়। রুপার নেসাব ধরলে বর্তমানে প্রায় তিন লাখ টাকার সমমূল্যের সম্পদ থাকলেও কুরবানি ওয়াজিব হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ বলেন, আগে স্বর্ণ ও রুপার মূল্য সমান ছিল, কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন পার্থক্য তৈরি হয়েছে। তাই বর্তমানে রুপার নেসাব অনুযায়ী হিসাব করা বেশি গ্রহণযোগ্য।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কেউ চাইলে নিজের কুরবানির পাশাপাশি অন্যের নামেও কুরবানি দিতে পারেন। তবে শর্ত হলো—প্রথমে নিজের ওয়াজিব কুরবানি আদায় করতে হবে। এরপর বাবা-মা, মৃত আত্মীয় বা প্রিয়জনের নাম যুক্ত করা যায়। মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানি করা ইসলামি দৃষ্টিতে বৈধ এবং এর মাধ্যমে সওয়াবের আশা করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানি দিলে মাংস গরিবদের মাঝে বেশি বিতরণ করা উত্তম। একইভাবে নাবালক সন্তানের নামেও কুরবানি দেওয়া জায়েজ বলে উল্লেখ করেছেন ইসলামি আলেমরা।

প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ কুরবানির পশু জবাই করা হয়। ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেন, যাদের ওপর কুরবানি ওয়াজিব, তারা তা পালন না করলে গুনাহের অংশীদার হবেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

tag ট্যাগ: #কুরবানি