calendar_today শনিবার, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ • ৭ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
‘৭ নভেম্বরের চেতনার ফলেই সফল হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’: রুহুল কবির রিজভী ◆ ২৬ বছর পর পরিবর্তন: খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের নতুন আমির ◆ জামালপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিন সদস্যসহ নিহত ৪ ◆ গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◆ তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ স্থগিত করল অভিনয়শিল্পী সংঘ ◆ মতলব দক্ষিণে ১৫ মামলার আসামি ‘মেজর ডালিম’সহ গ্রেপ্তার ৬ ◆ ‘বাংলাদেশকে আর তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেব না’: ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◆ ইয়েমেনে জনাকীর্ণ বাজারে বিমান হামলা: নিহত অন্তত ৩০, পাল্টাপাল্টি দোষারোপ ◆ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◆ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ◆ ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন
home হোম / বিনোদন / মহানায়ক উত্তম কুমারের আজ শুভ জন্মদিন।
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
বিনোদন বিশেষ প্রতিবেদন

মহানায়ক উত্তম কুমারের আজ শুভ জন্মদিন।

আজ ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মদিন। ১৯২৬ সালের এদিনেই পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন তিনি। বেঁচে থাকলে ৯৮ বছরে পা রাখতেন।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ • সকাল ১১:৩৭
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৪১৫ বার পঠিত

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমায় কাজ করেছেন উত্তম কুমার। তিনি একাধারে অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক। অভিনয় জগতে ‘মহানায়ক’ আখ্যা দেওয়া হয় তাকে। উত্তম কুমার ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এবং জনপ্রিয় অভিনেতা। অভিনয় জীবনে অসংখ্য বাণিজ‍্যিক সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদেরও তুমুল প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।


১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার ভবানীপুরে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন উত্তম কুমার। তার আসল নাম ছিল অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু চলচ্চিত্র জগতে এসে নিজের নাম পাল্টে রাখেন উত্তম কুমার। তার বাবা সাতকড়ি চট্টোপাধ্যায় এবং মা চপলা দেবী। তারা তিন ভাই এক বোন ছিলেন। উত্তম কুমারের ছোটো ভাই তরুণ কুমারও বাংলা সিনেমার এক জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন। তার বাবা ছিলেন কলকাতার মেট্রো সিনেমা হলের একজন সাধারণ কর্মচারী।


পরিবারে আর্থিক সমস্যা থাকায় শিক্ষাজীবন শেষ না করেই কলকাতা পোর্টে কেরানির চাকরিতে জয়েন করে সংসারের হাল ধরেন তিনি। কিন্তু অভিনয়ের পোকাটা থেকেই গিয়েছিল এই নায়কের মাথায়। আর তাই তো নিজের স্বপ্ন পূরণে অনড় ছিলেন তিনি।


রুপালি পর্দায় উত্তম কুমারের যাত্রা শুরু হয় ‘মায়াডোর’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। যদিও সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। পরে ১৯৪৮ সালে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা হিসেবে ‘দৃষ্টিদান’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেলেও আলোচনায় আসেনি সেটি। পরবর্তীতে ‘বসু পরিবার’ সিনেমা দিয়ে খানিকটা পরিচিতি পান উত্তম কুমার। ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ সিনেমা দিয়ে রীতিমতো বাংলা চলচ্চিত্রে ঝড় তোলেন তিনি। এই সিনেমার মাধ্যমেই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পান এই অভিনেতা। শুরু হয় উত্তম যুগ।


পঞ্চাশ থেকে ষাট দশকে ‘হারানো সুর’, ‘পথে হল দেরী’, ‘সপ্তপদী’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘জীবন তৃষ্ণা’ আর ‘সাগরিকা’-এর মতো কালজয়ী সব সিনেমার পরিচিত ও কাঙ্ক্ষিত মুখ হয়ে উঠেন উত্তম। সুচিত্রা সেনের সঙ্গে তার জুটি ছিল তুমুল জনপ্রিয়। একাধিক সিনেমার জন্য এ জুটি কালজয়ী হয়ে আছে। এই জুটির ৩০টি সিনেমার মধ্যে ২৯টিই ছিল ব্লকবাস্টার হিট।