calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন
home হোম / সারা বাংলা / ইন্টার্নশিপ করতে ঢাকায় গিয়ে মারুফ লাশ হয়ে ফেরেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ইন্টার্নশিপ করতে ঢাকায় গিয়ে মারুফ লাশ হয়ে ফেরেন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর বনশ্রীতে নিজের ভাড়া বাসার সামনে গুলিতে মারুফ হোসেন (২১) নিহত হন। একমাত্র ছেলের মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে আসার পর একবারই চিৎকার করে কেঁদে উঠেছিলেন মা ময়না খাতুন। শোকে পাথর মা এরপর থেকে আর...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪ • বিকাল ০৩:৫০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৩৫ বার পঠিত

রোববার (২৮ জুলাই) দুপুরে মারুফের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দুই কক্ষের টিনের ঘরের বারান্দায় মা ময়না খাতুন বসে আছেন। তাকে ঘিরে আছেন প্রতিবেশী নারীরা। তবে তাদের কারও কথায় সাড়া দিচ্ছেন না ময়না খাতুন। কিছুক্ষণ পরপর ছেলের ঘরের তালা খুলে টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। ছেলের ব্যবহৃত সাইকেল ধরে আপনমনে বলছেন, ‘বাবার সাইকেল। এই সাইকেলেই বাবা (মারুফ) স্কুল করেছে। বাজারে ঘুরতে যেত।’

ছেলে হত্যার বিচার প্রসঙ্গে ময়না খাতুন বলেন, ‘বিচার করি কি করবেন বলেন? ছেলে তো আমি আর ফিরে পাচ্ছিনে।’ এরপর আর কোনো কথা বলতে পারেননি ময়না খাতুন। মুখে আঁচল চাপা দিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন।  

ভাইয়ের স্মৃতি তাড়া করে ফিরছে একমাত্র বোন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মাইসাকে। সে জানায়, ঢাকায় যাওয়ার পর প্রতিদিন সন্ধ্যায় মাকে ফোন করত মারুফ হোসেন। তার সঙ্গেও কথা বলত। চাকরি পেলেই পছন্দের অনেক খেলনা কিনে দেওয়ার কথা দিয়েছিল। এখন সন্ধ্যা নামলেই ভাইয়ের কথা তার মনে পড়ে। 

মারুফের বাবা শরিফুল ইসলাম জানান, ১৯ জুলাই বেলা ১১টার দিকে ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়। কথা শেষ হওয়ার আগেই লাইন কেটে যায়। আর কথা হয়নি। বিকেল ৫টার পর ছেলের সহপাঠী ফোন দিয়ে মারুফের মৃত্যুর খবর জানায়। তিনি এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

tag ট্যাগ: #111