calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / সারা বাংলা / পুলিশকে ঘুস দিয়ে দরিদ্র বাবা মেয়ের লাশ পেলেন !
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

পুলিশকে ঘুস দিয়ে দরিদ্র বাবা মেয়ের লাশ পেলেন !

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গৃহবধূ সোনিয়া আক্তারের (২৮) মৃত্যুর পর ২০ হাজার টাকা পুলিশকে ঘুস দিয়ে লাশ নিতে হয়েছে। শুক্রবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছেন সোনিয়ার অসহায় দরিদ্র বাবা মো. আক্তার হোসেন। তিনি অভিযোগে বলেন, গত...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩ • বিকাল ০৩:১১
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫ বার পঠিত

দরিদ্র অসহায় বাবা দাবিকৃত এত টাকা দিতে পারবেন না বলা হলে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। তার পর ধারদেনা করে ২০ হাজার টাকা মাজাহারকে দেওয়া হলে নিহত সোনিয়ার লাশ বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

নিহতের বাবা মো. আক্তার হোসেন অভিযোগে বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে তা আমি বিশ্বাস করি না। যৌতুকের দাবির টাকা তার স্বামীকে দিতে না পারায় তাকে রাতে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়। আমি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে অপমৃত্যু মামলা করে। পরে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ থানায় আনা হয়। খবর পেয়ে আমি লাশ আনতে গেলে এসআই মাজাহার লাশ পরিবহণসহ অন্যান্য খরচ বাবদ আমার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করেন। আমি গরিব মানুষ হিসেবে টাকা দিতে পারব না বললে পুলিশ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। পরে আমি আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে ২০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়ার পর এসআই মাজাহার লাশ হস্তান্তর করে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার এসআই মাজাহার হোসেন তার অভিযোগ অস্বীকার করে  বলেন, আক্তার মিয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও অসত্য। আমি তার কাছ থেকে লাশ হস্তান্তর বাবদ কোনো টাকাপয়সা নেয়নি। 

অপমৃত্যু মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, বাদী নিজে স্বাক্ষর দিয়ে অপমুত্যু মামলা করেছেন। এখন অস্বীকার করছে কী কারণে তা আমি জানি না। তিনি হত্যা মামলার বিষয়ে থানার ওসিকে বা আমাকে কিছুই বলেননি।

ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম এ বিষয়ে জানান, ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন এমন অভিযোগ তিনি আমার কাছে করেননি। অভিযোগ পেলে আমি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতাম। আর লাশ নিতে এলে পুলিশ কেন টাকা দাবি করবে। অপমৃত্যু মামলা তিনি নিজেই করেছেন। এখন কার পরামর্শে বা কী কারণে এসব অভিযোগ করছে তা আমি জানি না। 

তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আমি ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

tag ট্যাগ: #1111