নেতৃদ্বয় বলেন, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না। বরং সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনা সংবাদকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার পাশাপাশি জনমনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তাঁরা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়, সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সব ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে। অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, তদন্তের ভিত্তিতে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।