ইমরানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলায় তারা কোনো পক্ষ নিচ্ছেন না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেন, ‘বিষয়টি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে কারাগারে বন্দী একজন ব্যক্তির সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, সেটি মানবিকতার মৌলিক প্রশ্ন।’
চিঠিতে ইমরান খানের অপর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে বিধিনিষেধ এবং আইনি সহায়তার সীমিত সুযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। তার ছেলে ও বোনেরাও কয়েক মাস ধরে এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলে আসছেন।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাবেক ২২ জন অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে চিঠি দিয়ে ইমরান খানের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা অভিযোগ করেন, ইমরান যে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, তা দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার তুলনায় অপ্রতুল।
চিঠিতে ইমরানের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন স্বাস্থ্য পরীক্ষা, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়মিত পারিবারিক সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও ১৪ জন সাবেক অধিনায়কের স্বাক্ষরে ইমরানের বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খান তার সুচিকিৎসা ও মুক্তির আহ্বান জানান। ইমরান খানের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা ও মাইকেল হোল্ডিংও।
এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়কদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য গত মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে বৈঠকের অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো জবাব পাননি তিনি।