সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, "দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১১ মে ১৩৫ জন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে পদায়ন ও পদোন্নতির মাধ্যমে আমি আর্থিক সুবিধা নিয়েছি। অথচ ওই সময়ে বিএনপি ক্ষমতায় ছিল এবং বিএনপির একজন নেতা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। সেই আমলের ঘটনার দায় এখন আমার ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে।"
রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই বিএনপি এসব করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, "যেদিন সাংবাদিকদের সামনে আমার বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়টি জানানো হয়, সেদিনই দুদকের মুখপাত্র সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সংশোধনী পাঠান। সেখানে তিনি বলেন, 'প্রাথমিক সত্যতা' কথাটি ভুলবশত চলে এসেছে এবং ভিডিওতে থাকলে তা এডিট করার অনুরোধ করেন। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে আমার চরিত্র হনন সম্পন্ন হয়ে গেছে। আমি দুদককে একটি প্রতিবাদলিপি দিতে বললেও তারা তা করেনি।"
সংবাদ সম্মেলনে দুদক থেকে আনা অন্য দুটি অভিযোগও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।