কোনো কোনো খাতে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে সরকার?
পুতিনের সই করা ডিক্রি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত এবং স্পর্শকাতর স্থাপনা এই আইনের আওতায় আসবে:
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র।
শিল্প ও পরিবহন: বিভিন্ন শিল্প কারখানা, পরিবহন ও লজিস্টিক অবকাঠামো।
যোগাযোগ ও পরিষেবা: টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং নাগরিক পরিষেবা (ইউটিলিটি)।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান: জনজীবন রক্ষার ব্যবস্থা (লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম) এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক যেকোনো অবকাঠামো।
ডিক্রি জারির পটভূমি
চলমান সামরিক অভিযান ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রাশিয়া সাম্প্রতিক সময়ে তার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে নিরাপত্তার হুমকি বাড়ার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দেশের সামারিক আইন (Martial Law), প্রতিরক্ষা আইন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়া প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এই পদক্ষেপ রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে ক্রেমলিন।