calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল
home হোম / আন্তর্জাতিক / ইরানের হাতে এখনো অনেক বিকল্প.যুক্তরাষ্ট্রের সব চাল শেষ: গালিবাফ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ইরানের হাতে এখনো অনেক বিকল্প.যুক্তরাষ্ট্রের সব চাল শেষ: গালিবাফ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সংঘাত নিয়ে নতুন করে কড়া বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি দাবি করেছেন, এই অর্থনৈতিক লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার বেশিরভাগ কৌশলগত সক্ষমতা ইতোমধ্যেই ব্যবহার করে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ • দুপুর ১২:৩১
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৭২ বার পঠিত

ইরানের সরবরাহভিত্তিক শক্তি হিসেবে তিনি হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেল পরিবহন পাইপলাইনের কথা উল্লেখ করেন। এসব পথ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ হিসেবে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত থেকে তেল ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়ের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

 

ইরানি স্পিকারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে তাদের বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে বা আংশিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিপরীতে ইরানের কিছু কৌশল এখনো পুরোপুরি প্রয়োগ করা হয়নি। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, প্রয়োজনে তেহরান এসব বিকল্প ব্যবহার করতে পারে, যা বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে আসন্ন গ্রীষ্মকালীন সময়, যখন জ্বালানির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায়। এই বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করা ওয়াশিংটনের জন্য কঠিন হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন সরাসরি আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহকে প্রভাবিত করতে পারে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, জ্বালানি বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। গালিবাফের এই বক্তব্য সেই বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র : তাসনিম নিউজ