calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ
home হোম / রাজনীতি / গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কিনা সুদের টাকা ?
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কিনা সুদের টাকা ?

ইসলামে সুদ পৃথিবীতে বিদ্যমান হারাম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম জঘন্য ও ভয়াবহ বলে অভিহিত করেছে। সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দান করা যাবে কিনা।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ • সকাল ১১:১৫
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩০০ বার পঠিত

সম্প্রতি সুদের টাকার বিষয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, সুদের টাকা দান করে দিতে হবে। এখন গরিব-মিসকিনকে দিলে তার মনে কষ্ট পেতে পারে এমন চিন্তা থেকে যদি না বলে দেন, তাতে জায়েজ হবে। কারণ তার কাজ হচ্ছে ভোগ করা। আপনি না বলে দিলেও জায়েজ হবে।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অন্য আয়াতে (সূরা বাকারা: ২৭৮, ২৭৯) আল্লাহ মুমিনদের সুদ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, যারা সুদ বর্জন করবে না, তারা আল্লাহ ও তার রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। জাবির (রা.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, তিনি সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং সুদের সাক্ষীদের অভিশাপ দিয়েছেন। 

তিনি আরও বলেছেন, তারা সবাই সমপর্যায়ের দোষী (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)। এই হাদিসটি সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করে।