calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / সম্পাদকীয় / জ্বালানি সরবরাহ চেইনটি সচল রাখা জরুরি সংকট মোকাবিলা,
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

জ্বালানি সরবরাহ চেইনটি সচল রাখা জরুরি সংকট মোকাবিলা,

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট এ সংকটময় মুহূর্তে জ্বালানি তেল মজুত না করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এ আহ্বান যথার্থ। ভবিষ্যৎ জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় প্রয়োজন না থাকলেও...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ • বিকাল ০৫:২৫
history আপডেট: ৭ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৬৭ বার পঠিত

সরকারের পক্ষ থেকে তেল মজুত না করার নির্দেশ মূলত বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ এবং কালোবাজারি রুখতে একটি প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ। তবে এই নির্দেশ তখনই সফল হবে, যখন তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকবে। যদি সময়মতো পর্যাপ্ত জ্বালানি দেশে না পৌঁছায়, তাহলে কেবল মজুতবিরোধী অভিযান চালিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কঠিন হবে। আমাদের সেচব্যবস্থা এবং পণ্য পরিবহণ মূলত ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল। তবে ব্যক্তিগত পরিবহণ এবং জরুরি সেবায় ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রোলের ঘাটতিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। পরিবহণের একটি বড় অংশ যদি জ্বালানি সংকটে থমকে দাঁড়ায়, তাহলে এর প্রভাব পড়বে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। অকটেন ও পেট্রোল সংকটের পেছনে আমদানির সীমাবদ্ধতা, নাকি রিফাইনারিগুলোর সক্ষমতার অভাব দায়ী, তা দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কেবল সাময়িক নির্দেশের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। আমাদের প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল : একক কোনো উৎসের ওপর নির্ভর না করে জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখী করা; বিপিসির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং ডিলার পর্যায়ে কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা। জ্বালানি হলো অর্থনীতির প্রাণশক্তি। বিপিসির দুশ্চিন্তা দূর করতে এবং জনগণের আস্থা ফেরাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মজুত না করার পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহের চেইনটি সচল রাখাই এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ সংকট মোকাবিলায় দূরদর্শী পরিকল্পনার অভাব থাকলে অদূরভবিষ্যতে আমাদের বড় ধরনের মাশুল গুনতে হতে পারে।