calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / অন্যান্য / গ্যাসের ওষুধ ইফতারের সময় খাওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

গ্যাসের ওষুধ ইফতারের সময় খাওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

রমজান মাসে ইফতার কিংবা সেহরির আগে অনেকেই খালি পেটে গ্যাসের ওষুধ খেয়ে থাকেন। গ্যাস কিংবা অম্বল থেকে বাঁচতেই এমন অভ্যাস তৈরি করে ফেলেন অনেকেই। আবার অনেকে মনে করেন, আগে থেকেই গ্যাসের ওষুধ খেয়ে পরে নিশ্চিন্তে যে কোনো খাবার...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ • দুপুর ০২:৪৫
history আপডেট: ৭ মাস আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৭১ বার পঠিত

আর ইফতারের সময় গ্যাসের ওষুধ খাওয়া সাধারণভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নয়, বরং তৈলাক্ত ও ভাজা পোড়া খাবারের কারণে বুকজ্বালা বা অ্যাসিডিটি কমাতে এটি কার্যকর। তবে নিয়মিত বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি গ্যাসের ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। কারণ এতে  কিডনি, হাড় ও ভিটামিন শোষণে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

গ্যাস কিংবা অম্বলের সমস্যা খুব বেশি হলে প্রতিদিন ওষুধ না খেয়ে কয়েক দিন টানা খেয়ে কিছু দিন বিরতি দেওয়া যেতে পারে। ২-৩ দিন খেয়ে পরে বিরতি দেওয়া। আবার প্রয়োজন হলে এক সপ্তাহ পর খাওয়া যেতে পারে। যারা অনেক দিন ধরে এই ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়া উচিত। যেমন এক দিন পরপর খাওয়া শুরু করে, পরে পুরোপুরি বন্ধ করা যেতে পারে। তবে যাদের হার্টের অসুখ রয়েছে কিংবা অন্য কোনো কারণে চিকিৎসকের নির্দেশে এ ওষুধ খেতে হয়, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।

খালি পেটে গ্যাসের ওষুধ খাওয়া প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধ খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই) নামে পরিচিত ওষুধগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে হার্ট ও কিডনির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ ওষুধগুলো মূলত পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা কমিয়ে অম্বল বা বুকজ্বালার সমস্যা সাময়িকভাবে কমিয়ে দেয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটি আপনার শরীরের পুষ্টি শোষণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলে।


বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, পিপিআই গোত্রের ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে অপুষ্টিজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আপনার শরীর কিছু ভিটামিন ও খনিজ সঠিকভাবে শোষণ করতে পারে না। ফলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘমেয়াদে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার মতো রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে গাঁটে গাঁটে ব্যথা বা অস্বস্তির সমস্যাও দেখা দেয়। পাশাপাশি কিডনির ওপর চাপ পড়ে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে কিডনি বিকলের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। আর পিপিআই জাতীয় কয়েকটি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক বেশি। যেমন ওমিপ্রাজোল, প্যান্টোপ্রাজোল বা ইসোমিপ্রাজোল। বেশির ভাগ মানুষই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এগুলো নিয়মিত খেয়ে থাকেন।

পিপিআই জাতীয় ওষুধ পাকস্থলীর স্বাভাবিক অ্যাসিডের মাত্রা কমিয়ে দেয়। অথচ এই অ্যাসিড শুধু খাবার হজম করতেই সাহায্য করে না, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে অ্যাসিডের মাত্রা কমে গেলে শরীরের স্বাভাবিক হজমক্ষমতা কমে যায় এবং অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও বেড়ে যেতে পারে। হঠাৎ অম্বল বা বুকজ্বালা হলে অনেক সময় লিকুইড অ্যান্টাসিড দ্রুত আরাম দিতে পারে। কিন্তু অনেকেই এই সাময়িক সমস্যার জন্য নিয়মিত পিপিআই খেতে শুরু করেন, যা সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।