calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / তথ্য ও প্রযুক্তি / এটিএম মেশিন কীভাবে এসেছে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষ প্রতিবেদন

এটিএম মেশিন কীভাবে এসেছে

আজকের যুগে অটোমেটেড টেলার মেশিন বা এটিএম ছাড়া আধুনিক জীবন কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। যে কোনো সময় ব্যাংকিং লেনদেন সহজে করা যায়, সেই সুযোগটি জীবনকে অনেক সহজ করেছে। এটিএমের প্রাথমিক ধারণা এসেছিল লুথার সিমজিয়ানের কাছ থেকে

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ • দুপুর ০১:১৩
history আপডেট: ৯ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৪১৮ বার পঠিত

১৯৩৯ সালে তিনি ‘হোল-ইন-দ্য-ওয়াল’ মেশিনের ধারণা দেন এবং ২০টি পেটেন্টের জন্য আবেদন করেন। যদিও সিটি করপোরেশন (বর্তমান সিটিব্যাংক এনএ) এটি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করেছিল, গ্রাহকদের অনাগ্রহের কারণে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে এর ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়।

আধুনিক এটিএমের পথপ্রদর্শক হিসেবে গণ্য হন স্কটল্যান্ডের জেমস গুডফেলো। তিনি ১৯৬৬ সালে প্যাটেন্ট পান। এরপর ১৯৬৭ সালে লন্ডনের বার্কলেস ব্যাংকে জন শেফার্ড-ব্যারন প্রথম এটিএম সফলভাবে স্থাপন করেন। ১৯৬৮ সালে ডন ওয়েজেল আমেরিকায় প্রথম এটিএম উদ্ভাবন করেন। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে এটিএম ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

বিবিসি নিউজ ও বার্কলেস ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রথম এটিএম ১৯৬৭ সালের ২৭ জুন উত্তর লন্ডনের এনফিল্ড শাখায় স্থাপিত হয়। তখন কার্ডের পরিবর্তে বিশেষ চেক ব্যবহার করা হতো, যার মধ্যে কার্বন-১৪ নামের হালকা তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশানো থাকত। মেশিনটি সেই চেক শনাক্ত করে পিন নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে টাকা বিতরণ করত।


মজার বিষয় হলো, শেফার্ড-ব্যারন প্রথমে ৬ ডিজিটের পিন ব্যবহার করার কথা ভাবছিলেন, কিন্তু স্ত্রী ক্যারোলিনের পরামর্শে ৪ ডিজিটের পিন ব্যবহার করা শুরু হয়, যা আজও চালু আছে। নিরাপত্তার কারণে এটি পেটেন্টের বদলে বাণিজ্যিক গোপনীয়তা হিসেবে রাখা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ডন ওয়েজেল ১৯৬৮ সালে ড্যালাসের একটি ব্যাংকে দাঁড়িয়ে এটিএমের ধারণা পান। ডকিউটেল কোম্পানির সহ-সভাপতি ডন প্রায় ৫০ লাখ ডলারের খরচে এটিএমের আধুনিক রূপ তৈরি করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি পেটেন্ট পান এবং নিউইয়র্কের কেমিক্যাল ব্যাংকে প্রথম মেশিন স্থাপন করা হয়।

প্রাথমিক এটিএম কেবল টাকা উত্তোলনের কাজ করত। ১৯৭১ সালে ‘টোটাল টেলার’ তৈরি হয়, যা আমানত গ্রহণ, এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর এবং ক্রেডিট কার্ড থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়ার মতো কাজ করত। প্রথম এটিএম সরাসরি ব্যাংকের মূল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, এবং শুধু বিশ্বস্ত গ্রাহকরাই এটি ব্যবহার করতে পারত। ডন ওয়েজেল এবং তার দলই প্রথম ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ যুক্ত কার্ড তৈরি করেন।