calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ
home হোম / আন্তর্জাতিক / গাজার এতিম শিশুদের মুখে ইসরাইলি গণহত্যার করুণ বর্ণনা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

গাজার এতিম শিশুদের মুখে ইসরাইলি গণহত্যার করুণ বর্ণনা

খাবার আনতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন বাবা; আলজাজিরার ভিডিওতে উঠে এলো হৃদয়বিদারক চিত্র

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ • সকাল ১১:৩৪
history আপডেট: ১১ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৮৩ বার পঠিত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দখলদার ইসরাইলের লাগাতার হামলায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষের জীবনহানি ঘটেছে—যার মধ্যে বহু সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। এই ভয়াবহ সহিংসতায় অসংখ্য শিশু তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছে, এবং অনেক বাবা-মা হারিয়েছেন তাঁদের আদরের সন্তানকে।

গাজার অনেক ছোট্ট শিশু এত কম বয়সেই এতিম হয়ে গেছে যে, তারা এখনো সঠিকভাবে বুঝতেই পারে না, তাদের জীবনে কত বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

আলজাজিরা সোমবার (২৪ নভেম্বর) একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যায়—একজন ব্যক্তি গাজার বেশ কিছু এতিম শিশুর সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের পরিবারের সদস্য হারানোর বিষয়ে জানতে চাইছেন।

তাদের একজন ছেলেশিশু জানায়, "আমার বাবা-মা দুজনই মারা গেছে।" পাশে থাকা এক মেয়েশিশুকে দেখিয়ে সে বলে, "তার বাবাও মারা গেছে।" পরে অবশ্য আরেক শিশু জানায়, মেয়েটির মা মারা গেছেন। মেয়েটি জানায়, তার বাবা মারা গেছেন নাবলুসে। ছেলেটি জানায়, তার বাবা শহীদ হয়েছেন মেরাজ এলাকায়।

ছেলে শিশুটি ব্যাখ্যা করে, "আমার বাবা আমাদের খাবারের জন্য আটার বস্তা আনতে গিয়েছিলেন।" প্রশ্নকারী যখন জানতে চান, "তারপর তিনি শহীদ হয়ে ফিরে এসেছেন?" শিশুটি নীরবে মাথা নেড়ে সম্মতি জানায়।

এরপর যখন জিজ্ঞেস করা হয়, "তোমার কি বাবার জন্য দুঃখ লাগে?" সে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে।

পাশে থাকা মেয়েটি তখন বলে, "আমার বাবাকে ইসরাইলি সেনারা তিনটি গুলি করেছে।" ছেলেটি নিজের হার্টের দিকে ইশারা করে দেখায়, "আমার বাবাকে এখানে গুলি করেছে।"

মেয়ে শিশুটি তার বাবার নাম জানায় ফাদি। সে বলে, তার বাবা নাবলুসে কাঠ (লাকড়ি) কুড়াতে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল সেগুলো বিক্রি করে পরিবারের জন্য আটা কিনে আনবেন। কিন্তু তিনি আর জীবিত অবস্থায় ফেরেননি।