calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / জাতীয় / মাঝারি শহর বা সেকেন্ডারি টাউনগুলোর পরিকল্পিত নগরায়ন প্রয়োজন| আর্কিটেক্ট আদিল মুহাম্মদ খান
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

মাঝারি শহর বা সেকেন্ডারি টাউনগুলোর পরিকল্পিত নগরায়ন প্রয়োজন| আর্কিটেক্ট আদিল মুহাম্মদ খান

বাংলাদেশের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উন্নয়ন এর বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন। এজন্য দেশের মাঝারি শহর বা সেকেন্ডারি টাউনগুলোর পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিত করা খুবই দরকার। তাহলে জেলা শহর, উপজেলা শহর ও মফস্বল এলাকায় নাগরিক সুবিধাদি...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫ • দুপুর ০১:৩৫
history আপডেট: ১১ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৪ বার পঠিত






দেশের মাঝারি শহরগুলোর পরিকল্পনামাফিক উন্নয়নে আগের সরকারগুলো ইতিপূর্বে কার্যকর উদ্যোগ সেভাবে নেয়নি। দেশের আড়াইশোর অধিক পৌরসভার মহাপরিকল্পনা বা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি সেগুলোর। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকায় সেই সকল পৌরসভায় এলোমেলোভাবেই ভৌত কর্মকান্ড হয়েছে। ফলে শহরগুলো ধীরে ধীরে অবাসযোগ্য হয়ে পড়েছে। 

পৌরসভাগুলোতে মহাপরিকল্পনামাফিক উন্নয়ন হবার কথা বলা আছে স্থানীয় সরকার ও পৌরসভা সংশ্লিষ্ট আইনগুলোতে৷ শহর পরিকল্পনাবিদ নিয়োগের মাধ্যমে এই শহরগুলোর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও উন্নয়ন বাস্তবায়ন হবার কথা ছিল। মাত্র অল্প কয়েকটি পৌরসভায় নগর পরিকল্পনাবিদগণ কর্মরত ছিলেন। 

বিগত বছরগুলোতে সরকারের কাছে পৌরসভায় পরিকল্পনাবিদ নিয়োগ এর মাধ্যমে শহরের টেকসই নগরায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) বারবার তাগাদা দিয়েছিল। অনেক প্রতিশ্রুতি থাকলেও বিগত সরকারগুলো এই অতি প্রয়োজনীয় নিয়োগ এর ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে পৌর এলাকাগুলো পরিকল্পনাহীন উন্নয়নে হয়েছে বিপর্যস্ত। দখলে দূষণে ক্রমশ অবাসযোগ্য হয়ে পড়েছে হবিগঞ্জ, মাগুড়া, কলাপাড়াসহ সহ দেশের প্রায় সকল পৌরসভা।

পৌর এলাকায় পরিকল্পনাবিদ নিয়োগের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ দেশের প্রায় পৌনে দুইশ পৌরসভায় 'শহর পরিকল্পনাবিদ' নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।  

এই নিয়োগের মাধ্যমে পৌর এলাকায় পরিকল্পনাবিদদের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন এর সুযোগ তৈরি হবে। পৌরসভার অর্গানোগ্রাম ও চাকুরী বিধিতে কাজ করতে হবে আরো, যেন পরিকল্পনা পেশার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে পৌরসভাগুলো। 

কার্যকর নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে পৌর এলাকার সঠিক বিকাশ এর এখনই সময়। আমাদের এই শহরগুলো যেন বিকেন্দ্রীকরণ এর কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশকে এই সুযোগ কাজে লাগাতেই হবে।