calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / রাজনীতি / জামায়াত যে কর্মসূচি পালন করবে ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠা হামলায় নিহতদের স্মরণে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

জামায়াত যে কর্মসূচি পালন করবে ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠা হামলায় নিহতদের স্মরণে

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা হামলায় নিহতদের স্মরণে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (২৬ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বিবৃতিতে তিনি জানান, আগামী ২৮...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ • বিকাল ০৩:৩৬
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৪৮ বার পঠিত

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, জনসভা শুরু হলে চারদিক থেকে হামলাকারীরা গুলি ছুড়ে জনতার দিকে এগিয়ে আসে। সেদিনের সমাবেশের প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আমীরে জামায়াত ও শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রহি.)। হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল জনসভায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পল্টন এলাকা এক রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয়।

 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওই হামলায় ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১৪ জন নেতাকর্মী শহীদ হন এবং সহস্রাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও একইভাবে ১৪ দলীয় জোটের হামলায় চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। হামলাকারীরা মৃতদেহের ওপর নৃত্য করে উল্লাস প্রকাশ করেছিল, যা সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। তিনি একে ‘পূর্বপরিকল্পিত মানবতাবিরোধী গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

জামায়াতের আমির বলেন, ২৮ অক্টোবরের এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত থাকবে। ওই দিনের পর থেকেই দেশে সন্ত্রাসী রাজনীতির সূচনা হয় এবং ধীরে ধীরে দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা ও ভোটাধিকার হরণ করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার সেই মামলা প্রত্যাহার করে খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেয়। তবে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে এবং ২৮ অক্টোবরের ঘটনার খুনিদের বিচার দ্রুত নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

বিবৃতির শেষে ডা. শফিকুর রহমান নিহতদের শহীদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং আহত ও পঙ্গু হয়ে যারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তাদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

tag ট্যাগ: #জামায়াত