calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / আন্তর্জাতিক / পুতিন কেন মুচকি হেসে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপেও ?
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

পুতিন কেন মুচকি হেসে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপেও ?

আধমরা ইউক্রেনকে টিকিয়ে রাখতে ট্রাম্প যখন হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিনকে থামাতে চান, তখন রুশ প্রেসিডেন্ট যেন কেবল এক মুচকি হাসি দেন। বিষয়টি নিছক উদাসীনতা নয়, বরং আত্মবিশ্বাস। কারণ, যুদ্ধের মাঠে পুতিন দেখছেন, বিজয় ধীরে ধীরে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ৬ আগস্ট ২০২৫ • বিকাল ০৪:০৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১২৯ বার পঠিত

যত প্রযুক্তি বা অস্ত্রই থাকুক, যুদ্ধক্ষেত্রে জয় পেতে দরকার পর্যাপ্ত সৈন্য। অথচ ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা ক্রমেই কমছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় পুরুষদের বিশেষ অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়ার সুযোগ নেই। বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগেও অনেকে যোগ দিতে অনাগ্রহী।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। রাশিয়ার সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা ইউক্রেনের চেয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার বেশি। রিজার্ভ ও আধাসামরিক বাহিনী ধরা হয়নি। রাশিয়ার বেশিরভাগ সেনাই নিজ দেশের নাগরিক, বিদেশি ভাড়াটে নয়।

অন্যদিকে ইউক্রেনের বাহিনীতে সহিংস নৈরাজ্যবাদী, বিদেশি যোদ্ধা, চরমপন্থী, বেসরকারি সামরিক ঠিকাদার, ভাড়াটে, স্বেচ্ছাসেবকসহ নানা গোষ্ঠীর এক বিশৃঙ্খল মিশ্রণ দেখা গেছে। তাদের অনেকেই নিহত বা বন্দি হয়েছেন, ফলে ইউক্রেনের যোদ্ধার সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

এখন রাশিয়া নতুন করে বিদেশি সৈন্য নিয়োগ করছে এবং তাদের যথেষ্ট আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে। মধ্য এশিয়া, সিরিয়া, কিউবা, ভারত, নেপাল থেকে অনেকেই রাশিয়ার পক্ষে যোগ দিচ্ছেন। রটার্সের খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া ইউক্রেন আক্রমণে প্রায় ১০ হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে—যা বিশ্বজুড়ে দৃষ্টি কেড়েছে।

এছাড়া রাশিয়া চুক্তিভিত্তিক সৈন্যদের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। তবে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো প্রচার করছে, রাশিয়া ৫০ বছরের বেশি বয়সীদেরও সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে এবং শারীরিক মানদণ্ডে ছাড় দিচ্ছে। পাশাপাশি, সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির ফলে রাশিয়ার অর্থনীতিতে মন্দার শঙ্কার কথাও বলছে তারা।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৪ সালে রুশ অর্থনীতি ৪.৩ শতাংশ হারে বেড়েছে, যেখানে যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি ১.১ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২.৮ শতাংশ।

এই বাস্তবতায় রাশিয়ার শক্তিশালী হয়ে ওঠা ঠেকাবে কে? আর পুতিন কেনই বা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায় উঠবস করবেন?