calendar_today শুক্রবার, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ • ৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / আন্তর্জাতিক / ভারতে যে চরম মূল্য চুকাতে হল কেবল মুসলিম হওয়ায়
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ভারতে যে চরম মূল্য চুকাতে হল কেবল মুসলিম হওয়ায়

গেল ২১ জুলাই মুম্বাইয়ে বৃষ্টি হচ্ছিল। ৪৭ বছর বয়সী আব্দুল ওয়াহিদ শেখ শহরের হাইকোর্টে প্রবেশ করেন। নিজের স্বাধীনতার জন্য তিনি লড়তে আসেননি। তিনি এসেছেন আরও এমন বারোজন ব্যক্তির জন্য, যাদের সাথে তিনি একবার কারাগারে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫ • বিকাল ০৪:৫১
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫৪ বার পঠিত

২০০৬ সালে মুম্বাইয়ে ট্রেনে সমন্বিত বোমা হামলার ঘটনায় মূলত অভিযুক্ত ১৩ জনের একজন ছিলেন স্কুল শিক্ষক ওয়াহিদ শেখ। সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে যাত্রীবাহী ট্রেনগুলিতে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাতটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১৮৭ জনেরও বেশি লোক নিহত এবং ৮০০ জন আহত হয়।

ওয়াহিদ শেখকে ২০১৫ সালে খালাস পাওয়ার আগে নয় বছর কারাগারে কাটাতে হয়েছিল। বাইরে সাংবাদিকরা যখন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেমন লাগছে? তখন তিনি তাদের বলেন, ‘‘আমরা সবসময় বলেছি যে আমরা নির্দোষ।’’

তিনি বলেন, রায় শুনে অন্যদের কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখেছেন, আদালত কক্ষে তাদের কান্না প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ‘‘আমিও আমার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমি বাইরে গিয়ে প্রার্থনা করে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জানাই’’  টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে বলেন ওয়াহিদ শেখ।

২০১৫ সালে একটি বিশেষ আদালতের রায়কে বাতিল করে এই রায় দেয়া হল, যেখানে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন, পুলিশ সন্দেহভাজনদের নির্যাতন করেছে এবং প্রমাণ জাল করেছে। মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য মিথ্যা স্বাক্ষী তৈরি করেছে। 

যদিও গত ২৪ জুলাই, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আসামিদের বেকসুর খালাসের রায় স্থগিত করেন।স্থগিতা দেশে বলা হয়, মহারাষ্ট্র সরকারের আপিল শুনানির সময় হাইকোর্টের রায়কে নজির হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। যদিও শীর্ষ আদালত বলেছেন, মুক্তিপ্রাপ্তদের কারাগারে ফিরে যেতে হবে না।আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালাসের রায় সন্ত্রাসী মামলার তদন্তের পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং সেই ব্যর্থতার ভয়াবহ মূল্য উম্মোচন করেছে

‘‘হাইকোর্ট পুলিশ তদন্ত নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে, প্রমাণগুলিকে অবিশ্বাস্য বলে খারিজ করেছে এবং সবাইকে খালাস দিয়েছে। প্রশ্ন হল: বিশেষ আদালত অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করার সময় এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সময় কীভাবে এই সব কিছু উপেক্ষা করেছিল?,’’ টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে বলেছেন মানবাধিকার আইনজীবী লারা জেসানি।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং রাজনৈতিক ভাষ্যকার অপূর্বানন্দ ঝা-এর মতে, এই ধরনের পক্ষপাত ‘কেবল অপরাধ তদন্ত কীভাবে করা হয় তা নয়, বরং জনগণ অভিযুক্তদের কীভাবে দেখে তাও প্রভাবিত করে।’