calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / অর্থনীতি / ব্যাংক থেকে উধাও ৮০ ভাগ টাকা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

ব্যাংক থেকে উধাও ৮০ ভাগ টাকা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ব্যাংক থেকে ৮০ ভাগ টাকা নিয়ে গেছে। আইএমএফের মতে এখন দেশের ব্যাংক খাত ঠিক করতে হলে ৩৫ বিলিয়ন (৪ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা) ডলার প্রয়োজন। ব্যাংকগুলোর দুর্বলতা কাটাতে এই অর্থ লাগবে।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ • দুপুর ০১:০৬
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯৬ বার পঠিত

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ১৫ বছরে আইনের ব্যত্যয় তো হয়েছেই, পাশাপাশি প্রক্রিয়াগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। আর সেই মানুষগুলো তো রয়েই গেছে। মানুষগুলোর কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেকে বলে সব বাদ দিয়ে দাও। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। এজন্য কখনো মাথায় হাত বুলিয়ে, আবার প্রয়োজনে ধমক দিয়েও কাজ করাতে হচ্ছে।

প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আগে ঘুস দিতে হতো ১ লাখ টাকা, এখন দিতে হয় ৫ লাখ টাকা। গতকাল (শুক্রবার) একজন বড় ব্যবসায়ী আমার সামনে এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, কোথাও কোনো সুশাসন নেই, নিয়ন্ত্রণ নেই। পুলিশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে রাতারাতি সংস্কার করে ফেলাও সম্ভব নয়। এজন্য সময় লাগবে। তবে গণতান্ত্রিক চর্চা বাদ দিয়ে বসে থাকা যাবে না। আবার কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়াও ঠিক হবে না। ফলে কোনো রকম বিলম্ব না করে অতি দ্রুত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণের প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠিয়ে সংস্কার করতে হবে। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ সামনে বড় বিপদে ফেলতে পারে। মনে রাখা দরকার যে-রাজনৈতিক দল দেশের উন্নয়নে জনস্বার্থে সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসাবে বক্তব্য দেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর মাহবুব উল্লাহ, বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট এম, হুমায়ুন কবির, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সমাজতত্ত্ববিদ খন্দকার সাখাওয়াত আলী, গবেষক ভূঁইয়া আসাদুজ্জামান এবং আলোঘর প্রকাশনাীর প্রকাশক মো.সহিদ উল্লাহ প্রমুখ।

এদিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সুশাসন অনেক কঠিন। প্রধানমন্ত্রী, সংসদ-সদস্য তাদের ক্ষমতার ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ নেই। এখানে সংস্কার না হলে যত সংস্কারই করা হোক, কোনো লাভ হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সংস্কার দরকার। বাজেট করতে গেলে সবাই চায় সুবিধা। কেউ স্যাক্রিফাইস করতে চায় না। এজন্য সুবিধা নেওয়ার মানসিকতা বদলাতে হবে। ৫০ বছর আগের শিল্পও নিজেদের এখনো শিশু মনে করে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সুশাসন ও ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, গবেষক, প্রশাসক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্যাপ আছে। ফলে অনেক সমস্যা হচ্ছে। রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এতদিন বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়েছে শহরকেন্দ্রিক। এই উন্নয়ন দর্শন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।

সভাপতির বক্তৃতায় ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, পরিবর্তন নিশ্চিত করার দায়িত্ববোধ সর্বজনীন করতে হবে। এককভাবে এই সরকার করতে পারবে না। তবে দেশে পরিবর্তন আনতে গেলে তিনটি জায়গায় কাজ করতে হবে। প্রথমত, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এটি নিয়ে এখন বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, সক্ষম রাষ্ট্র তৈরি করা। এ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হলেও তেমন কোনো আলোচনাই হচ্ছে না। এছাড়া তৃতীয়ত হলো, গণতান্ত্রিক চর্চা। এক্ষেত্রে অতি ক্ষমতায়িত এক ব্যক্তির শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তা বলেন, অর্থনীতি আগে, নাকি ক্ষমতা আগে সেটি গভীরভাবে ভাবতে হবে। আমরা বর্তমানে স্বৈরতন্ত্র থেকে উত্তরণের পথে আছি। এই সময়ে ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোথায় সংস্কার দরকার, কোথায় সংস্কার আটকে আছে সেসব বিষয় এই বইটিতে লেখা আছে। সংস্কার কমিশন দিনের পর দিন বৈঠক করলেও কোনো ফল নেই। কারণ আমরা সমস্যার গোড়াতে যাচ্ছি না। কেননা আমাদের দেশে গত ১৫ বছর নয়, বলতে গেলে ৫০ বছর ধরেই স্বৈরতন্ত্র চলছে। প্রধানমন্ত্রীর দেবতুল্য ক্ষমতা কমাতে হবে। তারা বলেন, বিচার বিভাগকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। আমরা সব সময় মনে করছি ব্যক্তির পরিবর্তন হলেই সব সম্ভব। এটা ঠিক নয়, মৌলিক পরিবর্তন দরকার সবার আগে। বক্তারা আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতায় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যেমন ব্যাংক খাতে লাখ-কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আছে।

tag ট্যাগ: #উধাও