calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / আইন-আদালত / বাবার মৃত্যুদণ্ডস্ত্রী ও সন্তানকে হত্যায়
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আইন-আদালত বিশেষ প্রতিবেদন

বাবার মৃত্যুদণ্ডস্ত্রী ও সন্তানকে হত্যায়

ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার দায়ে মো. সুজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল মতিন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন শৈলকুপা উপজেলার দোহা-নাগিরাট গ্রামের বাসিন্দা।

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩ • সন্ধ্যা ০৬:২৬
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ২ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৪৫ বার পঠিত

মামলা থেকে জানা গেছে, ২০১০ সালে শৈলকুপা উপজেলার নোন্দীরগাতী গ্রামের সালেহা বেগমের মেয়ে ইয়াসমিনের সঙ্গে সুজনের বিয়ে হয়। এ দম্পতির পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে সুজন অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে সুজন তার স্ত্রী ও সন্তানকে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পর স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তার স্ত্রী-সন্তানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর সুজনও বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। মেয়ের সন্ধান না পেয়ে ২২ মার্চ ইয়াসমিনের মা সালেহা বেগম ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে শৈলকুপা থানা পুলিশ তদন্ত করে ফরিদপুরের সদরপুর থানার মৈজদ্দি-মাতব্বরকান্দি গ্রামে সুজনের অবস্থান নিশ্চিত করে। তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার করে। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি পুলিশ আদালতে চার্জশিট দেয়।


tag ট্যাগ: #111