calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
home হোম / অপরাধ / রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইয়াবা পাহাড় ঘুরে ঢাকায় আসছে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইয়াবা পাহাড় ঘুরে ঢাকায় আসছে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে নিয়মিত রুটের বদলে ভিন্ন পথ ব্যবহার করছে ইয়াবা কারবারিরা। কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কড়া নজরদারির কারণে এখন অনেক চালান দেশের পার্বত্য অঞ্চল ঘুরে আসছে। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবা...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০২৩ • দুপুর ১২:১৩
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৭ বার পঠিত

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকায় গত দুই মাসে বেশ কয়েকটি ইয়াবার চালান জব্দ করা হয়, যেগুলো নিয়মিত রুটে আনা হয়নি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পার্বত্যাঞ্চল, কোনো কোনো সময় অন্য জেলা ঘুরেও চালান আনা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে ফাঁকি দিতে এসব কৌশল কাজে লাগাচ্ছে কারবারিরা। তবে তাদের কৌশল ব্যর্থ হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্য ও নজরদারির মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ডিএনসি ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মেহেদী হাসান সমকালকে বলেন, মাদক কারবারের হোতারা মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কিছু মানুষকে দিয়ে ইয়াবা বহন করায়। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যরাও এতে জড়িয়ে পড়ছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে কারবারিদের তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার পিস ইয়াবা ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পান তারা। একেকটি চালানে সাধারণত ১০ হাজার পিস ইয়াবা থাকে। সেই হিসাবে প্রতি চালানে মেলে কমপক্ষে এক লাখ টাকা। অর্থের মোহে অনেকেই এতে জড়িয়ে পড়ছেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা অপ্রচলিত পথে ইয়াবা আনছেন।
ডিএনসি সূত্র জানায়, সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে মংয়েছা চাকমা ও তাঁর শাশুড়ি চাইন ছিং চাকমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া যায় ৭ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা। ঢাকায় এক মাদক কারবারির কাছে এই চালান হস্তান্তরের কথা ছিল। মংয়েছার বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং চাইনের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়ায়। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ায় তাদের কেউ সন্দেহ করবে না– এমন চিন্তা থেকে তাদের মাদক বহনের কাজে লাগানো হয়। তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক বড় ইয়াবা কারবারির কাছ থেকে চালান বুঝে নিয়ে প্রথমে চলে যান বান্দরবান। সেখান থেকে ঢাকায় আসেন। এক থেকে দেড় বছর তারা ইয়াবা বহনের কাজ করেন। প্রতি মাসে সাধারণত একটি চালান পৌঁছে দিতেন তারা।
ডিএনসি ধানমন্ডি সার্কেলের পরিদর্শক তপন কান্তি শর্মা সমকালকে বলেন, মংয়েছাকে মাসখানেক আগেও ধরা হয়েছিল। তখন তাঁর কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়নি। তাঁর এক সঙ্গী ইয়াবার চালান নিয়ে পালিয়ে যান। তখন থেকেই তাঁর ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। এক পর্যায়ে ইয়াবাসহ তাদের আটক করা সম্ভব হয়। তাদের মধ্যে মংয়েছার কাছে তিন হাজার ও তাঁর শাশুড়ির কাছে বাকি ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগে ১২ জুলাই ঢাকার গাবতলী থেকে ১১ হাজার ইয়াবাসহ সাধন তনচংগ্যাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাড়ি রাঙামাটি।

tag ট্যাগ: #1111